ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি শেখ ফজলুল করীম মারুফ বলেছেন, বিএনপিকে সুবিধা করে দিতে সিটি করপোরেশন নির্বাচন আয়োজনে গড়িমসি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, দলীয় লোকদের সিটি কর্পোরেশনগুলোতে পাদয়ান করে সরকার নির্বাচনি সিস্টেমে পেরেক ঢুকিয়ে দিয়েছে।
তিনি বলেছেন, “সরকার সিটি কর্পোরেশনগুলোতে দলীয় লোক বসিয়ে নির্বাচনি সিস্টেমে পেরেক ঢুকিয়ে দিয়েছে। জনগণের সাথে প্রতারণা করে জাতিকে সংকটে ফেলবেন না। নির্বাচনে দলীয় পরাজয় হবে জেনেই হয়তো আগেভাগে আখের গোছানোর ব্যবস্থা করতেছে। মূলত, বিএনপির দলীয় লোকদের সুবিধা দেওয়ার জন্যই সিটি নির্বাচন আয়োজনে গড়িমসি করা হচ্ছে।”
বুধবার (২৬ আগস্ট) ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কমিটির দ্বিবার্ষিক পরিকল্পনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শেখ ফজলুল করীম মারুফ।
ঢাকা মহানগর সেক্রেটারি কে এম শরীয়াতুল্লাহর সঞ্চালনায় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি আলহাজ আনোয়ার হোসেন, আলহাজ এম এইচ মোস্তফা, মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, জয়েন্ট সেক্রেটারি মুহাম্মাদ ফজলুল হক মৃধা, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মুফতি আব্দুল আহাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ নজরুল ইসলাম খোকন, মাওলানা নজরুল ইসলাম, মাওলানা কামাল হোসাইন, হাফেজ মাওলানা নাজির আহমাদ শিবলী, টি এম মাহফুজ, হাফেজ সালাহউদ্দীন, মাওলানা তরিক মাসউদ, আলহাজ বেলাল হোসেন আরিফ, মুফতি মাওলানা ওমর ফারুক, প্রচার সম্পাদক প্রভাষক শফিকুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মাওলানা গাজী নাজিমুদ্দীন, অর্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক আলহাজ আব্দুর রহমান, প্রশিক্ষণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা ইউসুফ আহমাদ মানসুর প্রমুখ।
ইসলামী আন্দোলনের সহকারী মহাসচিব বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের পরেই সিটি করপোরেশনের প্রশাসনিক পদগুলো খালি হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে ১৮ মাস জোড়াতালি দিয়ে পার করেছে। ১২ফেব্রুয়ারি সমঝোতার নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে। জাতিকে ৬ মাসের প্রাথমিক টার্গেট সেট করে দেশ পুনর্গঠনের স্বপ্ন দেখালেও বাস্তবে সেটা আশায় গুড়েবালি হয়েছে।”