• সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৪ অপরাহ্ন

এলডিসি গ্রাজুয়েশন পেছানোর আবেদন করা হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

ইউনাইটেড ডেস্ক / ১৭ Time View
Update : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, “বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের সময়সীমা ২০২৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত পেছানোর জন্য জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট কমিটির কাছে আবেদন করা হয়েছে। এলডিসি গ্রাজুয়েশনের পর দেশের রপ্তানি, কর কাঠামো ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে। তাই বাড়তি সময়কে কাজে লাগিয়ে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে।”

সোমবার (৬ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে গবেষণা সংস্থা র‍্যাপিড আয়োজিত ‘এলডিসি গ্রাজুয়েশন ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কর্মশালায় অর্থনীতিবিদ, গবেষক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, “সরকার ইতোমধ্যে গত ফেব্রুয়ারি মাসে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট কমিটির কাছে এলডিসি গ্রাজুয়েশন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করেছে। সে অনুযায়ী বিষয়টি এগিয়ে যাচ্ছে। আগামী নভেম্বরের বাধ্যবাধকতার পরিবর্তে ২০২৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানোর একটি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।”

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, “সমস্যাকে ভয় পেয়ে শুধু সময় নেওয়া আর সেই সময়কে কাজে লাগিয়ে প্রস্তুতি নেওয়া দুটি ভিন্ন বিষয়। সরকার বাড়তি সময়কে কার্যকরভাবে কাজে লাগিয়ে রপ্তানি খাতের প্রবৃদ্ধি বাড়ানো, নীতি সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”

তিনি আরো বলেন, “এলডিসি গ্রাজুয়েশনের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশকে বিভিন্ন ধরনের বাণিজ্যিক সুবিধা হারাতে হতে পারে। ফলে রপ্তানি গন্তব্যগুলোতে প্রতিযোগিতা আরো কঠিন হয়ে উঠবে। এজন্য সম্ভাব্য সব চ্যালেঞ্জের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে।”

তিনি বলেন, “বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ হচ্ছে মানবসম্পদ। আমাদের এমন কোনো প্রাকৃতিক সম্পদ নেই, যা রপ্তানি করে নিশ্চিন্তে থাকা যায়। তাই দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষণ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা এখন সময়ের দাবি।”

রাজনীতি ও অর্থনীতির সম্পর্ক তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, “অর্থনীতিবান্ধব রাজনীতি ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ও গবেষণালব্ধ তথ্য নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”

র‍্যাপিডের এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, “কর্মশালায় উঠে আসা সুপারিশ ও মতামত সরকারের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে পৌঁছে দিতে তিনি ভূমিকা রাখবেন।”

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category