• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৯:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দুই শিশু সন্তানকে কাঁঠাল খেতে দিয়ে মা ঘুমিয়ে পড়ে; পুকুরে ডুবে শিশুদের মৃত্যু  শিশুমৃত্যু নিয়ে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইউরোপে যাওয়ার পথে সাগরে প্রাণ হারালেন ১,৩০০-এর বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী বাজেট অধিবেশনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ: প্রধান আসামি গ্রেফতার ৩০ বছর পর কবর থেকে সালমান শাহর মরাদেহ তোলার নির্দেশ আদালতের ২৪ ঘন্টায় হাম উপসর্গে আরোও ৮ শিশুর মৃত্যু কাগুজে বাজেটের মূল্য নেই যদি জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত না হয় : চরমোনাই পীর ঢাকা – ময়মনসিংহ – জামালপুর রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক কাল বাজেট পেশ, প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা

শান্তিরক্ষীদের গৌরব অক্ষুণ্ন রাখা সশস্ত্র বাহিনীর দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী

Reporter Name / ২১ Time View
Update : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা যে সুনাম ও গৌরব অর্জন করেছেন, তা রক্ষা করা সশস্ত্র বাহিনীর অন্যতম প্রধান দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস ২০২৬ উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সীমিত সুযোগ-সুবিধা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা বিশ্বমঞ্চে নিজেদের দক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাদের এই অর্জন দেশের জন্য গর্বের এবং এটি কোনোভাবেই ক্ষুণ্ন হতে দেওয়া যাবে না।

অনুষ্ঠানে তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনকালে জীবন উৎসর্গকারী সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। এ সময় ২০২৫ সালে সুদানে শহীদ হওয়া ছয় সেনাসদস্যের পরিবারের হাতে বিশেষ সম্মাননা তুলে দেন। পাশাপাশি বিভিন্ন মিশনে আহত সদস্যদেরও সম্মাননা প্রদান করেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, এ পর্যন্ত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর দুই লাখের বেশি সদস্য বিশ্বের ৪৩টি দেশে প্রায় ৬৩টি শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে ৯টি মিশনে ৪ হাজার ২১২ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী কর্মরত রয়েছেন এবং নতুন একটি মিশনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।

তিনি বলেন, শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নারী সদস্যদের অংশগ্রহণও ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের মধ্যে প্রায় ১১ শতাংশ নারী সদস্য রয়েছেন, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের মর্যাদা আরও বৃদ্ধি করেছে।

সশস্ত্র বাহিনীর শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব এবং চেইন অব কমান্ড বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাহিনীকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি এবং পরিবর্তিত ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের চ্যালেঞ্জ দিন দিন বাড়ছে। সাইবার হামলা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার, তথ্যযুদ্ধ এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত নিরাপত্তা ঝুঁকি এখন বিশ্বশান্তির জন্য নতুন হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর আধুনিকায়নে ধারাবাহিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তা, জাতিসংঘের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category