• মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভাইভায় বেশি নাম্বার রাখা নিয়ে যা বললেন তথ্য উপদেষ্টা সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি নিহত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ সহযোগিতা দেবে: প্রধানমন্ত্রী দরদের অজুহাতে ধর্মীয় বিধান পরিবর্তনের সুযোগ নেই: রফিকুল ইসলাম মাদানী ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৫০২ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী ১৬ ডিসেম্বর চালু হচ্ছে বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল: বিমানমন্ত্রী আজ জাতিসংঘ অধিবেশনে সভাপতির দায়িত্ব নেবেন ড. খলিলুর রহমান লক্ষ্মীপুরে ভেজাল খাদ্য বিক্রি: পৃথক অভিযানে ২জনের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হোটেল দখলচেষ্টায় বিএনপি নেতাসহ ৬জনের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলি রামিসা হত্যা মামলা

Reporter Name / ২২০ Time View
Update : রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬

শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলাটি বিচারের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলি করা হয়েছে। রবিবার (২৪ মে) বিকেলে মামলাটি বদলির আদেশ দেওয়া হয়।

এ মামলায় দেওয়া অভিযোগপত্র গ্রহণ করে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হক মামলাটি বদলির আদেশ দেন।

এর আগে এই মামলায় আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র আদালতে জমা দিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান। ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের ডিসি মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে বুধবার (২০ মে) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালত জবানবন্দি দেন আসামি সোহেল রানা।

একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে ঢাকার আরেক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল হকের আদালত তোলা হয়। শুনানি শেষে তাকেও কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ভুক্তভোগী শিশু রামিসা আক্তার পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে তার ফ্ল্যাটের ঘরের ভেতরে নিয়ে যায়।

ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকলে এক পর্যায়ে আসামির রুমের সামনে তার জুতা দেখতে পান।
ডাকাডাকির পর কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে রামিসার মা-বাবা ও অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসা আক্তারের মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা রুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে দেখতে পান।

আসামি স্বপ্না আক্তারকে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, তার স্বামী সোহেল রানা হীন কামনা চরিতার্থ করার জন্য রামিসাকে বাথরুমের ভেতরে আটকে রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে গলা কেটে হত্যা করেছেন। পরে শিশুটির মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করা হয়।

এ ছাড়া যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করা হয় এবং দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখা হয় এবং তার মাথাটি বালতির মধ্যে রাখা হয়।

পরে লোকজন জড়ো হলে রুমের জানালার গ্রিল কেটে সোহেল রানা পালিয়ে যায়। এরপর নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে থেকে অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category