ইসলামে জুমার দিনকে সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এদিন মুসলমানদের জন্য রয়েছে বিশেষ কিছু ইবাদত, আমল ও ফজিলত। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) জুমার দিনে কিছু বিশেষ আমল করার তাগিদ দিয়েছেন, যা একজন মুমিনের ঈমান ও আমলকে আরও সমৃদ্ধ করে।
হাদিসের আলোকে জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ১৫টি আমল তুলে ধরা হলো—
১. ফজরে সুরা আস-সিজদা ও সুরা আল-ইনসান তিলাওয়াত করা।
২. বেশি বেশি দরুদ শরিফ পাঠ করা।
৩. সময়মতো জুমার নামাজ আদায় করা।
৪. জুমার জন্য গোসল করা।
৫. সুগন্ধি ব্যবহার করা।
৬. দ্রুত মসজিদে যাওয়া।
৭. নামাজ, জিকির ও কোরআন তিলাওয়াতে মশগুল থাকা।
৮. খুতবার সময় সম্পূর্ণ নীরব থাকা।
৯. সুরা কাহফ তিলাওয়াত করা।
১০. জুমার নামাজে নির্ধারিত সুরা পাঠ করা।
১১. পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর পোশাক পরিধান করা।
১২. মসজিদে সুগন্ধি ব্যবহার করা।
১৩. আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা।
১৪. মৃতদের জন্য দোয়া করা।
১৫. বেশি বেশি দোয়া করা, বিশেষ করে আসরের পর।
হাদিসে এসেছে, জুমার দিনে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে যখন কোনো মুসলমান আল্লাহর কাছে দোয়া করলে তা কবুল করা হয়। অধিকাংশ আলেমের মতে, সেই সময়টি আসরের পর থেকে মাগরিবের আগ পর্যন্ত।
তাই জুমার দিনকে শুধু ছুটির দিন হিসেবে নয়, বরং ইবাদত, দোয়া ও আত্মশুদ্ধির বিশেষ সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামি চিন্তাবিদরা।