তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম লাই চিং তের সঙ্গে কথা বলার ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এটি বাস্তবায়িত হলে চার দশকেরও বেশি সময়ের কূটনৈতিক প্রোটোকল ভেঙে যেতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
বুধবার (২০ মে) সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, “আমি তার সঙ্গে কথা বলব। আমি সবার সঙ্গেই কথা বলি।” একই সময়ে হোয়াইট হাউস তাইওয়ানের জন্য বড় ধরনের অস্ত্র বিক্রির একটি প্যাকেজও বিবেচনা করছে বলে জানা গেছে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ১৯৭৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের পরিবর্তে চীনকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকে দুই দেশের প্রেসিডেন্ট পর্যায়ে সরাসরি কোনো যোগাযোগ হয়নি। ফলে ট্রাম্পের এ মন্তব্য নতুন করে চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে উত্তেজনা বাড়াতে পারে।
তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং তে বলেছেন, তাইওয়ান প্রণালিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, চীনই এ অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতায় বাধা সৃষ্টি করছে।
এদিকে তাইওয়ানের জন্য প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলারের নতুন অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাবও আলোচনায় রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে চীনের পক্ষ থেকে কড়া প্রতিক্রিয়া আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
চীন দীর্ঘদিন ধরে তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে দাবি করে আসছে এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের হুমকিও দিয়ে রেখেছে।