• সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ভোটার এলাকা স্থানান্তর আগামী বছরে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘মিড ডে মিল’ চালুর পরিকল্পনা : ববি হাজ্জাজ রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী দারিদ্র্য দূরীকরণে বিএনপি সবসময়ই চ্যাম্পিয়ন: রিজভী দেশে চিকিৎসকের ঘাটতি ৫৮ হাজার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী দুর্বৃত্তদের গুলিতে যাত্রাবাড়ীতে একজন নিহত গুম হওয়া ব্যক্তিদের নিরাপত্তা জরুরী: চিফ প্রসিকিউটর সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মীদের সম্মানী ভাতা দেবে সরকার আ’লীগ নেতার গাড়িতে পাটওয়ারীর লংড্রাইভ: রাশেদ খাঁন হাসিনাসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের আপিলের সুযোগ নেই: চিফ প্রসিকিউটর

দেশে চিকিৎসকের ঘাটতি ৫৮ হাজার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ইউনাইটেড ডেস্ক / ৯ Time View
Update : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দেশে ৫৮ হাজার ৫৯৮ জন চিকিৎসকের ঘাটতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের ভিত্তিতে দেশে ৮৮ হাজার ৯শ চিকিৎসক থাকা দরকার। কিন্তু বর্তমানে দেশে মোট চিকিৎসক আছেন ৩০ হাজার ৩১১ জন। একই সেঙ্গ সরকারি হাসপাতালগুলোতে অনুমোদিত পদের বিপরীতে চিকিৎসকের ঘাটতি আছে সাড়ে ১১ হাজার।

সোমবার (০৭ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেনের একটি লিখিত প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে বিকেল তিনটায় সংসদের বৈঠক শুরু হলে প্রশ্নোত্তর পর্বে লিখিত বক্তব্যে বিষয়টি উঠে আসে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সংসদে জানান, দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকের অনুমোদিত মোট ৪১ হাজার ৮০৬টি পদ রয়েছে। এই পদের বিপরীতে বর্তমানে ৩০ হাজার ৩১১ জন চিকিৎসক কর্মরত রয়েছেন। বাকি ১১ হাজার ৪৯৫টি পদ শূন্য রয়েছে।

দেশের জনসংখ্যার অনুপাতে চিকিৎসকের প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় স্বাস্থ্য জনবল মানদণ্ড বিবেচনা করা হয় উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত একটি গবেষণা অনুযায়ী বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ন্যূনতম মানদণ্ড (প্রতি এক হাজার জনে শূন্য দশমিক ৫০ জন চিকিৎসক) অনুযায়ী ২০২৬ সালে বাংলাদেশে প্রায় ৮৮ হাজার ৯০৯ জন চিকিৎসকের প্রয়োজন।

তবে দেশের সামগ্রিক চিকিৎসকের সংখ্যা এবং সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় কর্মরত চিকিৎসকের সংখ্যা এক নয় বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসকের শূন্য পদ পূরণ এবং জনগণের প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসক সংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার এরইমধ্যে বিভিন্ন নিয়োগ কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। ৪৪তম ও ৪৮তম বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৪৫তম, ৪৬তম, ৪৭তম ও ৫০তম বিসিএসের মাধ্যমেও সহকারী সার্জন নিয়োগের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

সরকারের চলমান নিয়োগ কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের শূন্য পদগুলো পর্যায়ক্রমে পূরণ করা হবে বলে জানান মন্ত্রী। একইসঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন পদ সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের জনগণের জন্য সহজলভ্য, মানসম্মত ও জনবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category