• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চিপস কারখানায় অভিযান, ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ৫০হাজার জরিমানা বিরামপুরের জব ফেয়ারে নগদের নিয়োগপত্র পেলেন দুই তরুণ কেশবপুরে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে চার দিনে ডেঙ্গুতে তিনজনের মৃত্যু নবাবগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৫ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা পূজা দেখতে গিয়ে সড়কে প্রাণ ঝড়লো দুই শিশুর হিলির পূজামন্ডপে মন্ত্রীর উপহার তুলে দেন বিএনপির নেতাকর্মীরা চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ আটক ১ অবৈধভাবে ইলিশ শিকার: নিয়ন্ত্রণে প্রভাবশালী চক্র গলাচিপায় তরমুজের জমি মাপা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১২

অস্ট্রিয়ায় বাড়ছে মুসলিমের সংখ্যা

ইউনাইটেড ডেস্ক / ২৫৭ Time View
Update : সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬

ইউরোপের অন্যতম সমৃদ্ধ দেশ অস্ট্রিয়ায় খ্রিস্টধর্মের পর ইসলাম এখন দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্ম। অস্ট্রিয়ান কাউন্সিল অব সায়েন্সেসের ২০১৬ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ৮ শতাংশ মানুষ ইসলাম ধর্মের অনুসারী।

অস্ট্রিয়ায় মুসলিমদের ইতিহাস নতুন নয়। ১৯০৮ সালে অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি সাম্রাজ্য যখন বসনিয়া ও হার্জেগোভিনাকে নিজেদের অন্তর্ভুক্ত করে, তখন থেকেই বিপুল সংখ্যক মুসলিম এই অঞ্চলে বসবাস শুরু করেন। পরবর্তীতে ১৯১২ সালে ইসলামকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত ধর্ম হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

১৯৬০-এর দশকে মূলত তুরস্ক, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা থেকে বিপুল সংখ্যক অভিবাসী শ্রমিক অস্ট্রিয়ায় আসে। এর পর থেকেই মূলত দেশটিতে মুসলিম জনসংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকে। বর্তমানে অস্ট্রিয়ায় মুসলিমদের অফিশিয়াল প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছে ইসলামিক রিলিজিয়াস অথরিটি অব অস্ট্রিয়া। এই প্রতিষ্ঠানটি দেশটির ২৫০টিরও বেশি ইসলামী সোসাইটি ও মসজিদের প্রাতিষ্ঠানিক দেখভাল এবং আইনি কাঠামো নিশ্চিত করে। ২০১৬ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত অস্ট্রিয়ার ফেডারেল সরকারে প্রথম মুসলিম নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন রাজনীতিক মুনা দুজদার।

২০১৯ সালের মে মাসে অস্ট্রিয়ার পার্লামেন্টে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের জন্য হিজাব বা স্কার্ফ পরা নিষিদ্ধ করে একটি আইন পাস করা হয়। এই আইন অমান্য করলে কোনো কোনো রাজ্যে বাবা-মার জন্য সর্বোচ্চ ৪৪০ ইউরো বা প্রায় ৪৯০ ডলার পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়। মানবাধিকার ও বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা এই আইনের তীব্র সমালোচনা করেছে।

তবে অফিশিয়াল পরিচয়পত্রে ছবি তোলার ক্ষেত্রে মুখমণ্ডল স্পষ্ট চেনা যাওয়ার শর্তে হিজাব পরার অনুমতি বহাল রেখেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

অস্ট্রিয়ার পিপলস পার্টি এবং কট্টর ডানপন্থী ফ্রিডম পার্টির জোট সরকারের আমলে মুসলিমদের প্রতি সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে স্থানীয় মুসলিম কমিউনিটির মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘু বাদ দিয়ে শুধু মুসলিম ছাত্রীদের ওপর হিজাব নিষেধাজ্ঞা জারির বিষয়টিকে তৎকালীন ক্ষমতাসীন জোট তীব্রভাবে সমর্থন করেছিল।
২০২০ সালে পিপলস পার্টি যখন গ্রিন পার্টির সাথে মিলে নতুন সরকার গঠন করে, তখনও এই নীতি অব্যাহত রাখা হয়। স্কুলগুলোতে হিজাব বা স্কার্ফ নিষিদ্ধের বয়সসীমা ১৪ বছর পর্যন্ত বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেয় এই জোট। তৎকালীন রক্ষণশীল চ্যান্সেলর সেবাস্টিয়ান কুর্ৎস এই পদক্ষেপগুলোকে রাজনৈতিক ইসলামের বিরুদ্ধে তার কঠোর অবস্থান হিসেবে বর্ণনা করেন। বিশ্লেষকদের মতে, নিজের ডানপন্থী ভোটারদের ধরে রাখা এবং কট্টরপন্থীদের ক্ষোভ প্রশমিত করতেই তৎকালীন চ্যান্সেলর এমন রাজনৈতিক কৌশল বেছে নিয়েছিলেন।

সূত্র : ই-হালাল ডট আইও


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category