• বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৬ অপরাহ্ন

অনুমোদনহীন ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের ১সপ্তাহের আল্টিমেটাম দিলেন পরিবেশবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী

বাগেরহাট প্রতিনিধি: / ৩২ Time View
Update : সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬

বাগেরহাটে এক সপ্তাহের মধ্যে সব ধরনের অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন বাগেরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জলবায়ু, বন ও পরিবেশবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুমোদনহীন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন তিনি।

শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে বাগেরহাট ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রস্তুতি সভা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ নির্দেশ দেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বৈধ ও মানসম্মত চিকিৎসাব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কারণে সাধারণ মানুষ যাতে প্রতারিত না হন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। যেসব প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেই, সেগুলোর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অবহেলা বা গাফিলতি গ্রহণযোগ্য নয়।

সভায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে আগাম প্রস্তুতি, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে বাড়িঘর ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।

প্রতিমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিভাগ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের দ্রুত শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি হাসপাতালগুলোর প্রস্তুতি আরও জোরদারের নির্দেশ দেন তিনি।

সভায় বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মো. জাকির হোসেন, জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, বাগেরহাট ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার সমাদ্দার, পুলিশ সুপার মো. জামিলুর ইসলাম এবং হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) তাপস কুমার সরকারসহ স্বাস্থ্য বিভাগ ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্যসেবা খাতের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অনুমোদনহীন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে কার্যকর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান না থাকলে শুধু নির্দেশনা দিয়ে পরিস্থিতির পরিবর্তন কঠিন। তাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুমোদন, জনবল, চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া প্রয়োজন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category