শেয়ারবাজারে কারসাজির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। খুব শিগগিরই আদালতে এ মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আজ ৬ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) দুদক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সংস্থাটির মুখপাত্র মো. আকতারুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
দুদকের মুখপাত্র বলেন, “শেয়ারবাজারে প্রায় ২৫৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলাটির তদন্তের কাজ প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। এখন শেষ মুহূর্তের আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়াগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আনুষ্ঠানিকতা শেষেই দ্রুততম সময়ের মধ্যে আদালতে চার্জশিট পেশ করা হবে।”
দুদক সূত্রে জানা গেছে, পুঁজিবাজারে অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে ও অস্বাভাবিক কারসাজির মাধ্যমে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার প্রাথমিক সত্যতা মেলার পর সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে এই মামলা করে সংস্থাটি। তদন্তকালে আসামিদের ব্যাংক হিসাবের লেনদেন, শেয়ার হস্তান্তরের নথিপত্র এবং পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে।
মামলায় সাকিব আল হাসান ছাড়াও অভিযুক্ত অন্যান্য আসামিরা হলেন- সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক আবুল খায়ের, তাঁর স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজী ফুয়াদ হাসান, কাজী ফরিদ হাসান, জাভেদ এ. মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির এবং তানভীর নিজাম।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আদালতে অভিযোগপত্র দাখিলের পর আনুষ্ঠানিকভাবে বিচারকাজ শুরু হবে। তবে তদন্তের গোপনীয়তা ও আইনি প্রক্রিয়ার সুরক্ষার্থে এ মুহূর্তে সব বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ্যে আনা হচ্ছে না।