• বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০১:১৭ পূর্বাহ্ন

নিউ জার্সিতে সেনেগালের মুখোমুখি হট ফেভারিট ফ্রান্স

স্পোর্টস ডেস্ক: / ২৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬
ফ্রান্স ফুটবল টিম।

ফেবারিট হিসেবে শুরু করা বিশ্বকাপের অন্যতম দল ফ্রান্স আজ রাত ১টায় ‘আই’ গ্রুপের উদ্বোধনী ম্যাচে মাঠে নামছে। নিউ জার্সিতে শুরু হওয়া তাদের প্রতিপক্ষ সেনেগাল। ফরাসি দল ফেভারিট হলেও ম্যাচটিকে ঘিরে বাড়তি নজর দিচ্ছে ফ্যান্স। এর আগে ২০০২ সালে ফ্রান্সকে হারিয়ে ফুটবল বিশ্বকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল ‘লায়ন্স অব তেরাঙ্গা’। ম্যাচেটি দেখাবে টি স্পোর্টস, বিটিভি ও সময় টিভি।

বর্তমান সেনেগাল কোচ থিয়াও ২০০২ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেও বদলি খেলোয়াড় ছিলেন। যদিও তাকে নামানো হয়নি। তখন তার দেশ ওই সময়ের চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে ১-০ গোলে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছিল। সেই পরাজয় এখনও ফরাসি ফুটবলের সবচেয়ে হতাশাজনক মুহূর্তগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। ওই আসরে ফ্রান্স কোনো গোল করতে না পেরেই গ্রুপপর্ব থেকে বিদায় নেয়, অন্যদিকে অবিশ্বাস্য অগ্রযাত্রায় কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে যায় সেনেগাল।

২৪ বছর পর ফ্রান্স কোচ হিসেবে নিজের শেষ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিচ্ছেন দিদিয়ের দেশম। ১৯৯৮ সালে ফ্রান্সকে বিশ্বকাপ জেতানো এই সাবেক অধিনায়ক দায়িত্ব ছাড়ার আগে আরেকটি সাফল্যের মাধ্যমে বিদায় নিতে চান। চলতি মাসের শুরুতে প্রস্তুতি ম্যাচে আইভরি কোস্টের কাছে ২-১ গোলে হেরে চমক দেখলেও দ্রুত ঘুরে দাঁড়ায় ফ্রান্স। নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে তারা। সব মিলিয়ে শেষ ১০ ম্যাচের মধ্যে ৯টিতেই অন্তত দুই গোল করেছে দেশমের দল।

আক্রমণভাগ-ই ফ্রান্সের শক্তি। বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে দুর্দান্ত মৌসুম কাটিয়েছেন মাইকেল অলিসে। ৫২ ম্যাচে তার অবদান ২২ গোল ও ৩১ অ্যাসিস্ট। ব্যালন ডি’অরজয়ী উসমান দেম্বেলে এবং অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পেকে নিয়ে তিনি গড়েছেন ভয়ঙ্কর এক আক্রমণত্রয়ী।

অন্যদিকে ফ্রান্সকে অস্বস্তিতে ফেলার মতো যথেষ্ট শক্তি রয়েছে সেনেগালেরও। বাছাইপর্বে অপরাজিত থাকা দলটি টানা তৃতীয় বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে। আত্মবিশ্বাস নিয়েই নিউ জার্সিতে এসেছে থিয়াওয়ের শিষ্যরা।

সেনেগালের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা সাদিও মানে জাতীয় দলের হয়ে করেছেন ৫৪ গোল। গত মৌসুমে সৌদি প্রো লিগ চ্যাম্পিয়ন আল-নাসরের হয়ে গোল ও অ্যাসিস্ট মিলিয়ে তার অবদান ছিল ২৩টি। ক্রিস্টাল প্যালেসের উইঙ্গার ইসমাইলা সার স্মরণীয় এক মৌসুমে ২১ গোল করেছেন। এছাড়া নিকোলাস জ্যাকসন, বাম্বা দিয়েং ও ইলিমান নিয়াদিয়ে আক্রমণভাগে বাড়তি হুমকি হয়ে উঠতে পারেন।

চূড়ান্ত প্রস্তুতি ম্যাচে সৌদি আরবের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে সেনেগালের টানা ১৭ ম্যাচে গোল করার ধারায় ইতি ঘটেছে। তবে দলটির আক্রমণভাগের সামর্থ্য নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। ফ্রান্সের বিপক্ষে আবারও তারা ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন দেখছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category