আদালত প্রতিবেদক
ঢাকার পল্লবীতে আট বছরের রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ডের রায়সহ পুরো মামলার নথি গেল উচ্চ আদালতে।
আসামিদের মৃত্যুদণ্ড হওয়ায় ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ নথি উচ্চ আদালতে পাঠানোর আদেশ দেন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ বলেন, “৬৯ পৃষ্ঠার রায়ের কপি, তিন পৃষ্ঠার ডেথ রেফারেন্সসহ মোট ৭২ পৃষ্ঠার নথি লাল কাপড়ে মুড়িয়ে উচ্চ আদালতের ডেথ রেফারেন্স শাখায় পাঠানো হয়েছে।”
এদিন বিকাল ৪টার দিকে মামলার নথি বা কেস ডকেট হাই কোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখায় পৌঁছেছে বলে জানান অধস্তন আদালতের এক কর্মকর্তা।
গত রোববার মামলার রায়ে বিচারক মাসরুর সালেকীন আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না দম্পতিকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পাশাপাশি সোহেলকে ৫ লাখ টাকা ও স্বপ্নাকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে অর্থদণ্ডের টাকা আদায় করে ভুক্তভোগী পরিবারকে বুঝিয়ে দিতে বলা হয়েছে।
আসামিদের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন (ডেথ রেফারেন্স) ও আপিল বিভাগের শুনানি শেষে তিন মাসের মধ্যে রায় কার্যকর করা সম্ভব বলে আশাবাদী আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান।
রায়ের পর সচিবালয়ে তিনি বলেছিলেন, “আমার প্রত্যাশা, আগামী তিন মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করা সম্ভব—যদি সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ এটাকে প্রায়োরিটি দিয়ে শুনানি করেন। আশা করি, সুপ্রিম কোর্ট করবে।”