• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বেইজিংয়ে ট্রাম্প-সি বৈঠক, ইরান ও তাইওয়ান ইস্যুতে আলোচনা ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের বিচারে সামরিক ট্রাইব্যুনাল বাতিলের আহ্বান জাতিসংঘের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন : অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকার পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প গ্রহণ সরকারের মধ্যরাতে জাবি ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, থানায় মামলা প্রতিবন্ধীদের অধিকার সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক মন্ত্রী মোশাররফ হোসেন আর নেই হামের টিকায় গাফিলতি: ড. ইউনূস ও নূরজাহান বেগমের বিচারের দাবিতে আইনজীবীদের মানববন্ধন হামের টিকা নিয়ে অবহেলায় চার শতাধিক শিশুর মৃত্যু, সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ছাত্রফ্রন্টের সোনা আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে

ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের বিচারে সামরিক ট্রাইব্যুনাল বাতিলের আহ্বান জাতিসংঘের

Reporter Name / ২২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬

হামাসের ৭ অক্টোবরের হামলায় অংশ নেওয়ার অভিযোগে ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের বিচারের জন্য নবগঠিত বিশেষ সামরিক ট্রাইব্যুনাল বাতিল করতে বুধবার ইসরাইলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রধান।

সোমবার গভীর রাতে ইসরাইলের পার্লামেন্ট এমন একটি আইন পাস করে, যার মাধ্যমে এই ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। আদালতটি মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ক্ষমতাও রাখবে।

বিশেষ এই আদালতে হামাস নেতৃত্বাধীন হামলার সময় বা পরে আটক ব্যক্তিদের বিচার করা হবে। একই সঙ্গে গাজায় জিম্মিদের আটকে রাখা বা নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্তদেরও এ আদালতে বিচার করা হবে।

ইসরাইলি গণমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৪০০ সন্দেহভাজনের এ আদালতে বিচার হতে পারে।

জেনেভা থেকে এএফপি জানায়, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্ক এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এই ভয়াবহ হামলাগুলোর পূর্ণ জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পূরণ করে না— এমন বিচারপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে তা অর্জন করা সম্ভব নয়।’

তিনি বলেন, ‘এই আইন অবশ্যই বাতিল করতে হবে।’

তার ভাষায়, ‘এই আইন অনিবার্যভাবে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে একপেশে বিচার ও বৈষম্যকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেবে। এটি কারও স্বার্থে নয় এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনেরও পরিপন্থী।’

এএফপির সরকারি তথ্যভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, হামাসের ওই হামলায় ইসরাইলি পক্ষে ১ হাজার ২২১ জন নিহত হন, যাদের বেশিরভাগই ছিলেন বেসামরিক নাগরিক। এটি ইসরাইলের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাণঘাতী দিন হিসেবে বিবেচিত।

যোদ্ধারা ২৫১ জনকে জিম্মিও করে নিয়ে যায়, যাদের মধ্যে ৪৪ জন তখনই নিহত ছিলেন।

এর জবাবে ইসরাইলের সামরিক অভিযানে গাজা উপত্যকা ব্যাপকভাবে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং হামাস-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ৭২ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘ এই পরিসংখ্যানকে নির্ভরযোগ্য বলে মনে করে।

সূত্র:বাসস


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category