• বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ১০:০৮ পূর্বাহ্ন

লাল টেলিফোনের তার চুরির পর এবার মন্ত্রণালয় থেকে ল্যাপটপ উধাও

Reporter Name / ২৮ Time View
Update : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক 

 

সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার চুরির ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে একান্ত সচিবের ব্যবহৃত একটি ল্যাপটপ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মন্ত্রণালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

 

 

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ১৬ তলা থেকে মো. ইমামুল হাফিজ নাদিমের ব্যক্তিগত ব্যবহারের এইচপি ব্র্যান্ডের একটি ল্যাপটপ চুরি হয়। তিনি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক) ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান শাকিলের একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

 

 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, একই তলায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) মাহাদী আমিন এবং প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের দপ্তরও অবস্থিত।

 

 

মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. শাকিরুল ইসলামের কক্ষে প্রবেশ করেন পিএস ইমামুল হাফিজ। প্রায় পাঁচ মিনিট পর নিজের কক্ষে ফিরে এসে তিনি দেখতে পান, টেবিলে রাখা তার ল্যাপটপটি নেই।

 

 

সূত্রগুলো জানায়, ঘটনার সময় ভবনে বিদ্যুৎ ছিল না। একই সময়ে কক্ষের বাইরে লোকজনের উপস্থিতিও ছিল উল্লেখযোগ্য। পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি ও তল্লাশি চালানো হলেও ল্যাপটপটির কোনো সন্ধান মেলেনি।

 

 

এদিকে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে নিরাপত্তাকর্মীরা দেখতে পান, খয়েরি রঙের শার্ট ও ধূসর প্যান্ট পরিহিত আনুমানিক ৪৫ থেকে ৫০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি একটি কালো ব্যাগ নিয়ে দপ্তর এলাকা থেকে বের হয়ে যাচ্ছেন। ধারণা করা হচ্ছে, ওই ব্যাগের মধ্যেই চুরি হওয়া ল্যাপটপটি বহন করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, ল্যাপটপটিতে মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথিও সংরক্ষিত থাকতে পারে।

 

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, ভবনের ১৬ তলার শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথেষ্ট দুর্বল। গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলোতে সহজেই প্রবেশ করা সম্ভব হচ্ছে। প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীর আনাগোনার কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকি আরও বাড়ছে।

 

 

তাদের ভাষ্য, লিফট থেকে নেমেই কোনো কার্যকর নিরাপত্তা তল্লাশি বা নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই করিডোরে প্রবেশ করা যায়। ফলে গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলো কার্যত নিরাপত্তাহীন অবস্থায় রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category