জামালপুর প্রতিনিধি
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। ইব্রাহীমের অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়, জোরপূর্বক ঘরে তুলে নিয়ে এই পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়।
ঘটনাটি ঘটেছে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার আওনা ইউনিয়নের কোমারপাড়া এলাকায়।
অভিযুক্ত ধর্ষক ইব্রাহিম কুমারপাড়া গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে। সে দুই সন্তানের জনক।
ইব্রাহিম দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগী ছাত্রীকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে নানাভাবে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, লোকলজ্জার ভয়ে ওই ছাত্রী বিষয়টি তার পরিবারকে জানায়নি।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে ওই ছাত্রী বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় ইব্রাহীম সেখানে তাকে জোরপূর্বক তুলে নিজের ঘরে নিয়ে আসে। পরে তাকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করে পরে একটি কক্ষে আটকে রেখে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে তাকে ধর্ষণ করা হয়।।
এদিকে দীর্ঘ সময় নিখোঁজ থাকায় কিশোরিকে খোঁজাখুজি শুরু করে পরিবারে লোকজন। এক পর্যায়ে ইব্রাহীমের বাড়ী থেকে ওই কিশোরীকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন স্বজনরা। তবে অভিযুক্ত ইব্রাহীম তার বাড়ী ভুক্তভোগীর স্বজনদের উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে পালিয়ে যায়। এরপর থেকে তাকে আর এলাকায় দেখা যায়নি।
উদ্ধারের পরে পরিবারকে ধর্ষণের কথা জানায় কিশোরি। রাতেই ওই কিশোরীর পরিবার সরিষাবাড়ী থানার ধর্ষণে৷ বিষয়টি অবগত করেন।
শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে পুলিশ তা নথিভুক্ত করে।
সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন জানিয়েছেন, মামলা রুজু করা হয়েছে এবং ভিক্টিমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আসামিকে গ্রেফতারে সর্বোচ্চ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ইউনি/শাহোরা/