দেশজুড়ে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের মধ্যে নতুন করে দুঃসংবাদ দিল আদানি গ্রুপ। গ্রুপটির বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আবারও বন্ধ হয়ে গেছে, যা বিদ্যুৎ সংকট আরও বাড়াতে পারে।
পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ বা পিজিসিবি-এর তথ্য অনুযায়ী, বুধবার দুই ইউনিট থেকে সর্বোচ্চ প্রায় ১৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছিল। তবে দুপুর ২টার দিকে তা হঠাৎ কমে সাড়ে ৭০০ মেগাওয়াটে নেমে আসে।
এদিকে তীব্র গরমে বিদ্যুতের চাহিদা সাড়ে ১৬ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছালেও উৎপাদন সেই হারে বাড়ানো যাচ্ছে না। ফলে প্রতি ঘণ্টায় ২০০০ থেকে ২৫০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড-এর সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম জানান, বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিটে বিয়ারিং থেকে সতর্ক সংকেত পাওয়ায় বড় দুর্ঘটনা এড়াতে তাৎক্ষণিকভাবে উৎপাদন বন্ধ করা হয়েছে। ইউনিটটি মেরামতে ৩ থেকে ৪ দিন সময় লাগতে পারে।
ভারতের ঝাড়খণ্ড-এ অবস্থিত এই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে প্রায় ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হয়, যা চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর হয়ে দেশে প্রবেশ করে।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড আদানি পাওয়ার লিমিটেডের সঙ্গে ২৫ বছর মেয়াদি বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি করে। সেই চুক্তির আওতায় ২০২৩ সালের মার্চ থেকে কেন্দ্রটির উৎপাদন শুরু হয়।
Reporter Name 





















