Dhaka 6:21 am, Friday, 1 May 2026
শিরোনাম :
মামলার জট কমাতে সরকার বহুমুখী উদ্যোগ নিয়েছে : আইনমন্ত্রী ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য নৌ অবরোধ উপসাগরীয় অঞ্চলে বিঘ্ন আরও বাড়াবে। তবে এর লক্ষ্য পূরণ হবে না। তেহরান থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘সমুদ্রপথে অবরোধ বা বিধিনিষেধ আরোপের যেকোনো চেষ্টা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী এবং তা ব্যর্থ হবেই।’ তিনি আরও বলেন, এ ধরণের পদক্ষেপ ‘আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার করতে ব্যর্থই হবে না, বরং পারস্য উপসাগরে উত্তেজনা সৃষ্টি করবে এবং স্থায়ী স্থিতিশীলতা ব্যাহত করবে।’ নিজের প্রাক্তন কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময় বেবিচক সদর দপ্তরে আকস্মিক অগ্নিনির্বাপন মহড়া: প্রস্তুতি ও তৎপরতা যাচাই করলেন চেয়ারম্যান শামসুল আলম নামে আরো এক হজযাত্রীর মৃত্যু প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর সাথে সিঙ্গাপুরের চার্জ দ্য এফেয়ার্সের সাক্ষাৎ ঢাকা শহরকে নিজের আঙিনার মতো করে সাজাতে চাই: ডিএসসিসি প্রশাসক হিট প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে ইউজিসিকে শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য আসন্ন বাজেটে তামাকপণ্যে কার্যকর কর ও মূল্য বৃদ্ধির দাবি ঢাকা শহরের হকার ব্যবস্থাপনায় নতুন মাইলফলক: ডিএসসিসিতে আধুনিক হকার পুনর্বাসন কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য আসন্ন বাজেটে তামাকপণ্যে কার্যকর কর ও মূল্য বৃদ্ধির দাবি

 

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে তামাকপণ্যের উপর কার্যকর করারোপ ও মূল্য বৃদ্ধির জন্য কঠোর কর নীতি প্রয়োগের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ)। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল ২০২৬) সিরডাপ অডিটোরিয়ামে ঢাকা আহছানিয়া মিশন ও বিএসআরাএফ-এর যৌথ আয়োজনে ‘আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে তামাকপণ্যে কার্যকর করারোপের গুরুত্ব’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এই দাবি জানানো হয়েছে।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্য বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ব স্বাস্থ্য অনুবিভাগ) শেখ মোমেনা মনি। তিনি বলেন, বাংলাদেশে তামাকপণ্যের সহজলভ্যতা তরুণ ও নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে ধূমপানের প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়িয়ে দিচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য এক বিরাট হুমকি। এই স্বাস্থ্যঝুঁকি ও ক্ষতি কমাতে তামাকপণ্যের দাম কেবল বাড়ালেই হবে না, বরং তা অবশ্যই মূল্যস্ফীতি ও মানুষের আয় বৃদ্ধির তুলনায় বেশি হতে হবে।
সভায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএসআরএফ-এর সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদল এবং বিসিআইসি’র সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান। স্বাগত বক্তব্যে ঢাকা আহছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টরের উপ-পরিচালক মোখলেছুর রহমান।
তারা বলেন, বাংলাদেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের তুলনায় তামাকদ্রব্য খুবই সস্তা। প্রতিবছর মূল্যস্ফীতি ও আয়বৃদ্ধির সাথে সামঞ্জস্য রেখে তামাকপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি না হওয়ায় এসব পণ্য ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যেই থেকে যায়। ফলে তরুণদের কাছে তামাকপণ্য তুলনামূলকভাবে সস্তা ও সহজলভ্য হয়ে পড়ে, যা তামাক ব্যবহার হ্রাসে তেমন কার্যকর প্রভাব ফেলে না। তাই কার্যকরভাবে দাম বৃদ্ধি না করলে তামাকপণ্য তরুণদ ও নিম্ন আয়ের মানুষের নাগালের মধ্যেই থেকে যাবে এবং তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি ক্রমেই বৃদ্ধি পাবে।
তারা আরও বলেন, তামাক পণ্যের বর্তমান কর কাঠামোর কারণে সরকার বছরে অতিরিক্ত প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয়ের সুযোগ হারাচ্ছে। কার্যকর তামাক কর এমন একটি শক্তিশালী নীতি যা বাস্তবায়ন করলে ধূমপান কমবে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষিত হবে এবং একইসাথে বৃদ্ধি পাবে সরকারের আয়।
তামাকজনিত রোগে দেশে প্রতিবছর প্রায় ২ লক্ষ মানুষের অকালমৃত্যু ঘটে। ২০২৪ সালে তামাকের কারণে স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ ছিল প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা, যা এই খাত থেকে প্রাপ্ত রাজস্বের পরিমাণ মাত্র ৪১ হাজার কোটি টাকা। এই ক্ষতি কমাতে তামাকখাতকে কেবল রাজস্ব আয়ের চশমা দিয়ে না দেখে জনস্বাস্থের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে কার্যকর করারোপের মাধ্যমে তামাকপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কোন বিকল্প নেই বলেও জানান তারা।
সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা আহছানিয়া মিশনের প্রোজেক্ট কো-অর্ডিনেটর শরিফুল ইসলাম তিনি উল্লেখ করেন, বিগত ২০২১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত তামাকপণ্য ও নিত্যপণ্যের দামের তারতম্য তুলনা করলে দেখা যায়, এই সময়ে চিনির দাম বেড়েছে ৮৮.৯৭ শতাংশ, আলুর দাম বেড়েছে ৮৬.৫৮ শতাংশ, আটার দাম বেড়েছে ৭৫.০৯ শতাংশ অন্যদিকে নিম্ন স্তরের সিগারেটের দাম বেড়েছে ১৫.৩৮ শতাংশ, মধ্যম স্তরের সিগারেটের দাম বেড়েছে ৬.৩৫ শতাংশ, প্রিমিয়াম স্তরের সিগারেটের দাম বেড়েছে ১১.১১ শতাংশ। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোক্তা মধ্যম স্তরের সিগারেটের সেটির দাম বেড়েছে সবচেয়ে কম, অর্থাৎ নিত্যপণ্যের তুলনায় সিগারেট আরও সস্তা হয়ে পড়ছে প্রতিনিয়ত।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে বাজারে নিম্ন, মধ্যম, উচ্চ, ও অতি উচ্চ- এই চার স্তরের সিগারেট বিক্রি হচ্ছে। আসন্ন অর্থবছরে নিম্ন ও মধ্যম- এই দুটি স্তরকে একত্রিত করে এই নতুন তিন স্তরের সিগারেটের ১০ শলাকার প্যাকেটের দাম যথাক্রমে ১০০ টাকা, ১৫০ টাকা, ও ২০০ টাকা নির্ধারণ এবং সকল স্তরে ৬৭% সম্পূরক শুল্ক বহাল রেখে প্রতি প্যাকেটে ৪ টাকা সুনির্দিষ্ট কর আরোপ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বিএসআরএফ সভাপতি মাসউদুল হক জানান, বাজেটের আগে তামাকের কর ও দাম বৃদ্ধি ঠেকাতে কোম্পানিগুলো ‘চোরাচালান বাড়বে’ বলে যে প্রচারণা চালায়, তা একটি ভিত্তিহীন গুজব। বাস্তবে প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে সিগারেটের দাম অনেক কম হওয়ায় চোরাচালানের কোনো সুযোগ নেই। তামাক কোম্পানিগুলোর এমন কূটকৌশল, রাজস্ব ক্ষতির ভয় এবং জাল পণ্যের গুজব প্রতিরোধে ফোরাম সংবাদমাধ্যমে সবসময় সোচ্চার ভূমিকা পালন করবে।
সভায় বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের ইসি কমিটির সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

News Admin

জনপ্রিয় নিউজ

মামলার জট কমাতে সরকার বহুমুখী উদ্যোগ নিয়েছে : আইনমন্ত্রী

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য আসন্ন বাজেটে তামাকপণ্যে কার্যকর কর ও মূল্য বৃদ্ধির দাবি

Update Time : 02:12:45 pm, Thursday, 30 April 2026

 

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে তামাকপণ্যের উপর কার্যকর করারোপ ও মূল্য বৃদ্ধির জন্য কঠোর কর নীতি প্রয়োগের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ)। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল ২০২৬) সিরডাপ অডিটোরিয়ামে ঢাকা আহছানিয়া মিশন ও বিএসআরাএফ-এর যৌথ আয়োজনে ‘আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে তামাকপণ্যে কার্যকর করারোপের গুরুত্ব’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এই দাবি জানানো হয়েছে।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্য বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ব স্বাস্থ্য অনুবিভাগ) শেখ মোমেনা মনি। তিনি বলেন, বাংলাদেশে তামাকপণ্যের সহজলভ্যতা তরুণ ও নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে ধূমপানের প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়িয়ে দিচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য এক বিরাট হুমকি। এই স্বাস্থ্যঝুঁকি ও ক্ষতি কমাতে তামাকপণ্যের দাম কেবল বাড়ালেই হবে না, বরং তা অবশ্যই মূল্যস্ফীতি ও মানুষের আয় বৃদ্ধির তুলনায় বেশি হতে হবে।
সভায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএসআরএফ-এর সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদল এবং বিসিআইসি’র সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান। স্বাগত বক্তব্যে ঢাকা আহছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টরের উপ-পরিচালক মোখলেছুর রহমান।
তারা বলেন, বাংলাদেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের তুলনায় তামাকদ্রব্য খুবই সস্তা। প্রতিবছর মূল্যস্ফীতি ও আয়বৃদ্ধির সাথে সামঞ্জস্য রেখে তামাকপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি না হওয়ায় এসব পণ্য ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যেই থেকে যায়। ফলে তরুণদের কাছে তামাকপণ্য তুলনামূলকভাবে সস্তা ও সহজলভ্য হয়ে পড়ে, যা তামাক ব্যবহার হ্রাসে তেমন কার্যকর প্রভাব ফেলে না। তাই কার্যকরভাবে দাম বৃদ্ধি না করলে তামাকপণ্য তরুণদ ও নিম্ন আয়ের মানুষের নাগালের মধ্যেই থেকে যাবে এবং তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি ক্রমেই বৃদ্ধি পাবে।
তারা আরও বলেন, তামাক পণ্যের বর্তমান কর কাঠামোর কারণে সরকার বছরে অতিরিক্ত প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয়ের সুযোগ হারাচ্ছে। কার্যকর তামাক কর এমন একটি শক্তিশালী নীতি যা বাস্তবায়ন করলে ধূমপান কমবে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষিত হবে এবং একইসাথে বৃদ্ধি পাবে সরকারের আয়।
তামাকজনিত রোগে দেশে প্রতিবছর প্রায় ২ লক্ষ মানুষের অকালমৃত্যু ঘটে। ২০২৪ সালে তামাকের কারণে স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ ছিল প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা, যা এই খাত থেকে প্রাপ্ত রাজস্বের পরিমাণ মাত্র ৪১ হাজার কোটি টাকা। এই ক্ষতি কমাতে তামাকখাতকে কেবল রাজস্ব আয়ের চশমা দিয়ে না দেখে জনস্বাস্থের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে কার্যকর করারোপের মাধ্যমে তামাকপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কোন বিকল্প নেই বলেও জানান তারা।
সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা আহছানিয়া মিশনের প্রোজেক্ট কো-অর্ডিনেটর শরিফুল ইসলাম তিনি উল্লেখ করেন, বিগত ২০২১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত তামাকপণ্য ও নিত্যপণ্যের দামের তারতম্য তুলনা করলে দেখা যায়, এই সময়ে চিনির দাম বেড়েছে ৮৮.৯৭ শতাংশ, আলুর দাম বেড়েছে ৮৬.৫৮ শতাংশ, আটার দাম বেড়েছে ৭৫.০৯ শতাংশ অন্যদিকে নিম্ন স্তরের সিগারেটের দাম বেড়েছে ১৫.৩৮ শতাংশ, মধ্যম স্তরের সিগারেটের দাম বেড়েছে ৬.৩৫ শতাংশ, প্রিমিয়াম স্তরের সিগারেটের দাম বেড়েছে ১১.১১ শতাংশ। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোক্তা মধ্যম স্তরের সিগারেটের সেটির দাম বেড়েছে সবচেয়ে কম, অর্থাৎ নিত্যপণ্যের তুলনায় সিগারেট আরও সস্তা হয়ে পড়ছে প্রতিনিয়ত।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে বাজারে নিম্ন, মধ্যম, উচ্চ, ও অতি উচ্চ- এই চার স্তরের সিগারেট বিক্রি হচ্ছে। আসন্ন অর্থবছরে নিম্ন ও মধ্যম- এই দুটি স্তরকে একত্রিত করে এই নতুন তিন স্তরের সিগারেটের ১০ শলাকার প্যাকেটের দাম যথাক্রমে ১০০ টাকা, ১৫০ টাকা, ও ২০০ টাকা নির্ধারণ এবং সকল স্তরে ৬৭% সম্পূরক শুল্ক বহাল রেখে প্রতি প্যাকেটে ৪ টাকা সুনির্দিষ্ট কর আরোপ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বিএসআরএফ সভাপতি মাসউদুল হক জানান, বাজেটের আগে তামাকের কর ও দাম বৃদ্ধি ঠেকাতে কোম্পানিগুলো ‘চোরাচালান বাড়বে’ বলে যে প্রচারণা চালায়, তা একটি ভিত্তিহীন গুজব। বাস্তবে প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে সিগারেটের দাম অনেক কম হওয়ায় চোরাচালানের কোনো সুযোগ নেই। তামাক কোম্পানিগুলোর এমন কূটকৌশল, রাজস্ব ক্ষতির ভয় এবং জাল পণ্যের গুজব প্রতিরোধে ফোরাম সংবাদমাধ্যমে সবসময় সোচ্চার ভূমিকা পালন করবে।
সভায় বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের ইসি কমিটির সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন।