Dhaka 9:39 pm, Monday, 27 April 2026
শিরোনাম :
যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-নেদারল্যান্ডস বৈঠক: কৃষি, পানি ব্যবস্থাপনা ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ শিক্ষকদের মধ্যে নেটওয়ার্ক তৈরিতে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ সহায়ক হবে: ইউজিসি চেয়ারম্যান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালদ্বীপের রাষ্ট্রদূত এর সৌজন্য সাক্ষাৎ উন্নয়ন সহযোগিতায় নতুন দিগন্ত খুলতে চায় ঢাকা-ওয়াশিংটন দক্ষিণগাঁও ও নন্দীপাড়ায় ডিএসসিসির রাস্তা উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করতে সেন্ট পিটার্সবার্গে পৌঁছেছেন পরিবারের চাপে বিয়ের সিদ্ধান্ত নায়িকা আনুশকা শেঠির গাইবান্ধায় ৫ জনসহ ৮ জেলায় বজ্রপাতে ১৫ জনের মৃত্যূ মিড ডে মিল খেয়ে অসুস্থ শিক্ষার্থী, কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

“উদ্ধার হলো নিখোঁজ মার্কিন ক্রূ; সম্ভব হয়নি নিরাপদে আনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরানের আকাশে ভূপাতিত হওয়া মার্কিন যুদ্ধ বিমানের নিখোঁজ ক্রূ সদস্যকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। তবে এখনো তাকে সম্পূর্ণ নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি, আর এ কারণে উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে।

এক মার্কিন কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, ‘তীব্র গোলাগুলির মধ্যেই দ্বিতীয় ক্রূ সদস্যকে উদ্ধার করা হয়েছে।’ তিনি জানান, পাইলটকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও উদ্ধারকারী দল এখনো উচ্চ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার অভিযানটি একটি জটিল “কমব্যাট সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ (CSAR)” অপারেশন হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। যেখানে বিশেষ বাহিনী, ড্রোন নজরদারি এবং আকাশপথে সহায়তা একসঙ্গে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে ইরানের ভেতর থেকে নিরাপদে বের করে আনা—যা সামরিক ভাষায় “এক্সফিলট্রেশন” নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরানের আকাশসীমায় একটি F-15E Strike Eagle যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়। বিমানটি ভূপাতিত হওয়ার আগে দুই ক্রু সদস্যই ইজেক্ট করতে সক্ষম হন। তাদের একজনকে আগেই নিরাপদে উদ্ধার করা হলেও অপরজন ইরানের ভূখণ্ডে আটকা পড়ে ছিলেন।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের মতো উচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টিত এলাকায় এমন উদ্ধার অভিযান অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। যেকোনো সময় শত্রুপক্ষের প্রতিরোধ, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিংবা স্থানীয় বাহিনীর মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ফলে উদ্ধারকারী দল নিরাপদে এলাকা ত্যাগ না করা পর্যন্ত পুরো পরিস্থিতিই অনিশ্চিত থেকে যাবে।

এদিকে আন্তর্জাতিক মহলে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কারণ, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা নতুন করে বাড়লে তা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতির ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এখন সবার নজর—উদ্ধারকারী দল কবে এবং কীভাবে নিরাপদে ইরান ত্যাগ করতে পারে, সেদিকেই।

ইউনি/সোভূ/

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

News Admin

জনপ্রিয় নিউজ

যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

“উদ্ধার হলো নিখোঁজ মার্কিন ক্রূ; সম্ভব হয়নি নিরাপদে আনা

Update Time : 04:54:14 am, Sunday, 5 April 2026

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরানের আকাশে ভূপাতিত হওয়া মার্কিন যুদ্ধ বিমানের নিখোঁজ ক্রূ সদস্যকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। তবে এখনো তাকে সম্পূর্ণ নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি, আর এ কারণে উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে।

এক মার্কিন কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, ‘তীব্র গোলাগুলির মধ্যেই দ্বিতীয় ক্রূ সদস্যকে উদ্ধার করা হয়েছে।’ তিনি জানান, পাইলটকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও উদ্ধারকারী দল এখনো উচ্চ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার অভিযানটি একটি জটিল “কমব্যাট সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ (CSAR)” অপারেশন হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। যেখানে বিশেষ বাহিনী, ড্রোন নজরদারি এবং আকাশপথে সহায়তা একসঙ্গে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে ইরানের ভেতর থেকে নিরাপদে বের করে আনা—যা সামরিক ভাষায় “এক্সফিলট্রেশন” নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরানের আকাশসীমায় একটি F-15E Strike Eagle যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়। বিমানটি ভূপাতিত হওয়ার আগে দুই ক্রু সদস্যই ইজেক্ট করতে সক্ষম হন। তাদের একজনকে আগেই নিরাপদে উদ্ধার করা হলেও অপরজন ইরানের ভূখণ্ডে আটকা পড়ে ছিলেন।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের মতো উচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টিত এলাকায় এমন উদ্ধার অভিযান অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। যেকোনো সময় শত্রুপক্ষের প্রতিরোধ, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিংবা স্থানীয় বাহিনীর মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ফলে উদ্ধারকারী দল নিরাপদে এলাকা ত্যাগ না করা পর্যন্ত পুরো পরিস্থিতিই অনিশ্চিত থেকে যাবে।

এদিকে আন্তর্জাতিক মহলে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কারণ, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা নতুন করে বাড়লে তা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতির ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এখন সবার নজর—উদ্ধারকারী দল কবে এবং কীভাবে নিরাপদে ইরান ত্যাগ করতে পারে, সেদিকেই।

ইউনি/সোভূ/