‘জ্বালানি তেল ও একমাসে দু’বার এলপিজির মূল্যবৃদ্ধির পরপরই সয়াবিন তেলের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের ওপর, বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ওপর, এক বড় ধরণের ‘মশকরা’ বা ‘চরম ভোগান্তি’ ও ‘জনস্বার্থ পরিপন্থি’। কারণ, ইতিমধ্যে, নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি সাধারন জনগণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। এর মাঝে সয়াবিনের এই মূল্যবৃদ্ধি জনগণের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দানা বাঁধবে যা সরকারের জন্য শুভ হবে না’ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ’র শীর্ষ নেতৃদ্বয়।
বুধবার (২৯ মে) সয়াবিন তেলের মূল্যবৃদ্ধির তাৎক্ষনিক প্রতিবাদে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এসব কথা বলেন।
তারা বলেন, ‘এই মুহুর্তে সয়াবিন তেলের মূল্যবৃদ্ধি অযৌক্তিক ও সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত চাপ ছাড়া কিছুই নয়। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির বাহানা দিয়ে প্রায়শই মূল্যবৃদ্ধি করা হলেও, বাস্তবে দেশীয় বাজারে এর প্রভাব অসমভাবে পড়ে। অনেক সময় মূল্যবৃদ্ধির পূর্বেই বোতলজাত তেল বাজার থেকে উধাও হয়ে যায়, যা ব্যবসায়ীদের অপকৌশল ছাড়া কিছুই নয়।’
নেতৃদ্বয় আরো বলেন, ‘ইতিমধ্যে জ্বালানি তেল ও এলপিজির মূল্যবৃদ্ধির ফলে জনজীবনে নানা সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। জনগনের জীবন যাত্রায় ব্যায় বৃদ্ধি হয়ে নাভিশ্বাস বন্ধ হবার উপক্রম হয়েছে। এরই মধ্যে সয়াবিন তেলের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্র কে আরো দুর্বিসহ করে তুলবে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো এই মূল্যবৃদ্ধিতে চরম দুর্ভোগের শিকার হবে।’
তারা বলেন, ‘জনগণ মনে করে, বাজার মনিটরিংয়ের অভাব এবং ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে সয়াবিন তেলের মূল্য বার বার বৃদ্ধি করা হচ্ছে। যা জনগণের সাথে এক ধরনের মশকরা ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না। এসব দেখলে বুঝা যায় আসলের শাসকগোষ্টি জনঘনের কথা মাথায় রাখে না।’
নেতৃদ্বয় ‘সয়াবিন তেলের মূল্যবৃদ্ধি সিদ্ধান্ত বাতিল করে ভোজ্যতেলের মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতায় আনার দাবি জানিয়েছে।’
Reporter Name 





















