গাইবান্ধা প্রতিনিধি
রাত পোহালেই শুরু হতে যাচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। অথচ পরীক্ষার ঠিক আগ মুহূর্তেও প্রবেশপত্র (অ্যাডমিট কার্ড) হাতে না পাওয়ায় গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পরীক্ষার্থীরা। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার করে নেন শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (২০ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে উপজেলায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করে ঘণ্টাব্যাপী এ বিক্ষোভ করেন গৃধারীপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীরা। এর আগে এদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চরম উৎকণ্ঠা নিয়ে প্রবেশপত্রের আশায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের বারান্দায় ভিড় করেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
ভুক্তভোগী ৬৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে গাইবান্ধার জুনদহ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩৬ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ,প্রবেশপত্রের জন্য বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী নাঈম দফায় দফায় তাদের কাছে টাকা দাবি করেছেন। টাকা দিতে না পারায় তাদের প্রবেশপত্র আটকে রাখা হয়। অভিভাবকরা বলছেন, এই নজিরবিহীন ঘটনার দায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, বিশেষ করে প্রধান শিক্ষক কোনোভাবেই এড়াতে পারেন না।
একই অবস্থা দেখা গেছে পলাশবাড়ী উপজেলার গৃধারীপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়েও। সেখানকার ২৯ জন পরীক্ষার্থী তাদের প্রবেশপত্র হাতে পাননি। এছাড়া ফুলছড়ির কঞ্চিপাড়া এমইউ একাডেমির ১৫০ জন পরীক্ষার্থীর হাতে ভুল তথ্য সংবলিত প্রবেশপত্র দেয়া হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ জাবের জানান, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে পুরো বিষয়ের ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। তিনি ইতোমধ্যে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের সাথে কথা বলেছেন এবং প্রতিষ্ঠানের প্রধানের অনুপস্থিতি ও গাফিলতির বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
গাইবান্ধার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) একেএম হেদায়েতুল ইসলাম মোবাইল ফোন জানান, ‘গৃধারীপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৯ পরীক্ষার্থীর হাতে রাত ১১টার দিকে প্রবেশপত্র তুলে দেয়া হয়েছে। জুনদহ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক বোর্ডে পৌঁছেছেন, ওই বিদ্যালয়ের ৩৬ পরীক্ষার্থীর হাতে রাতেই প্রবেশপত্র পৌঁছে যাবে।’
ফুলছড়ির বিষয়টি ইতোমধ্যে সমাধান হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘কেন এমন পরিস্থিতি হলো, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
ইউনি/শাহোরা/
Reporter Name 


















