Dhaka 5:44 pm, Tuesday, 21 April 2026
শিরোনাম :
গ্যাস সংকটে ঢাকা দক্ষিণসহ আশপাশের এলাকা, স্বল্পচাপে ভোগান্তি এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু, অংশ নিচ্ছে ১৮ লাখের বেশি শিক্ষার্থী কিছু রাজনৈতিক দল জনগণকে বিভ্রান্ত করছে: তারেক রহমান নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটে উড়িয়ে দিয়ে সহজ জয়ে সমতা আনল বাংলাদেশ ফরমপূরণে অতিরিক্ত ১৫ হাজার টাকা দিয়েও ২০ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা অনিশ্চিত জামালপুরে অনূর্ধ্ব ১৮ মহিলা ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ট্রফি উন্মোচন রাত পোহালেই এসএসসি পরীক্ষা; গাইবান্ধায় প্রবেশপত্র না পেয়ে মহাসড়কে শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশে গম পাচার মামলায় অভিনেত্রী নুসরাত জাহানকে তলব নরসিংদী-গাজীপুর সংরক্ষিত আসনে সেলিনা সুলতানা বিএনপির মনোনয়ন পেলেন  সংরক্ষিত  আসনে গোপালগঞ্জে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন আওয়ামী লীগ নেত্রী

ফরমপূরণে অতিরিক্ত ১৫ হাজার টাকা দিয়েও ২০ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা অনিশ্চিত

মাদারীপুর প্রতিনিধি

মাদারীপুরে ফরমপূরণে অতিরিক্ত ১৫ হাজার টাকা দিয়েও ২০ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। জেলার সদর উপজেলার মোস্তফাপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ফরম পূরণের নামে অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় ২০ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র না আসায় তাদের পরীক্ষা দেওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে ঘটনার প্রতিবাদে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মূল্যায়ন পরীক্ষায় দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া ২০ শিক্ষার্থীকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের আশ্বাস দিয়ে খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক সোহেল মোড়ল ও অফিস সহায়ক নূর-ই আলম লিটন জনপ্রতি ১৫ হাজার টাকা করে আদায় করেন। তবে ওই অর্থ ব্যাংকে জমা না দেওয়ায় শিক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র ইস্যু হয়নি।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আবৃত্তি শিকদার বলেন, ‘পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলাম কিন্তু প্রবেশপত্র না পাওয়ায় এক বছর পিছিয়ে পড়ার শঙ্কায় আছি। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’

Screenshot

অভিভাবকদের পক্ষ থেকে আয়েশা আক্তারের বাবা সুমন খান বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে এমন প্রতারণা মেনে নেওয়া যায় না। জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সম্পৃক্ততাও তদন্ত করতে হবে।’

বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান খান জানান, অভিযোগ ওঠার পর থেকেই অভিযুক্ত দুইজন পলাতক রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াদিয়া শাবাব বলেন, ‘ঘটনার তদন্ত করে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দিতে প্রধান শিক্ষককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযুক্তদের সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

উল্লেখ্য, অভিযুক্ত সোহেল মোড়ল দুই বছর আগে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে বিদ্যালয়ে যোগদান করেন এবং নূর-ই আলম লিটন দীর্ঘদিন ধরে অফিস সহায়ক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

ইউনি/শাহোরা/

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

News Admin

জনপ্রিয় নিউজ

গ্যাস সংকটে ঢাকা দক্ষিণসহ আশপাশের এলাকা, স্বল্পচাপে ভোগান্তি

ফরমপূরণে অতিরিক্ত ১৫ হাজার টাকা দিয়েও ২০ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা অনিশ্চিত

Update Time : 06:32:02 pm, Monday, 20 April 2026

মাদারীপুর প্রতিনিধি

মাদারীপুরে ফরমপূরণে অতিরিক্ত ১৫ হাজার টাকা দিয়েও ২০ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। জেলার সদর উপজেলার মোস্তফাপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ফরম পূরণের নামে অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় ২০ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র না আসায় তাদের পরীক্ষা দেওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে ঘটনার প্রতিবাদে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মূল্যায়ন পরীক্ষায় দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া ২০ শিক্ষার্থীকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের আশ্বাস দিয়ে খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক সোহেল মোড়ল ও অফিস সহায়ক নূর-ই আলম লিটন জনপ্রতি ১৫ হাজার টাকা করে আদায় করেন। তবে ওই অর্থ ব্যাংকে জমা না দেওয়ায় শিক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র ইস্যু হয়নি।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আবৃত্তি শিকদার বলেন, ‘পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলাম কিন্তু প্রবেশপত্র না পাওয়ায় এক বছর পিছিয়ে পড়ার শঙ্কায় আছি। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’

Screenshot

অভিভাবকদের পক্ষ থেকে আয়েশা আক্তারের বাবা সুমন খান বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে এমন প্রতারণা মেনে নেওয়া যায় না। জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সম্পৃক্ততাও তদন্ত করতে হবে।’

বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান খান জানান, অভিযোগ ওঠার পর থেকেই অভিযুক্ত দুইজন পলাতক রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াদিয়া শাবাব বলেন, ‘ঘটনার তদন্ত করে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দিতে প্রধান শিক্ষককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযুক্তদের সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

উল্লেখ্য, অভিযুক্ত সোহেল মোড়ল দুই বছর আগে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে বিদ্যালয়ে যোগদান করেন এবং নূর-ই আলম লিটন দীর্ঘদিন ধরে অফিস সহায়ক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

ইউনি/শাহোরা/