Dhaka 7:33 am, Friday, 17 April 2026

দৌলতদিয়ায় বাসডুবির ঘটনায় শিশুসহ ২৬ মরদেহ উদ্ধার, অভিযান চলমান

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস পদ্মা নদীতে তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় এ পর্যন্ত শিশুসহ ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।  রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিস কর্মী ও মানিকগঞ্জের ডুবুরী দলসহ অন্যান্যরা বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ১১টা পর্যন্ত উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে এসব মরদেহ উদ্ধার করে।

উদ্দারকৃতদের মধ্যে ২৩ জনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি মরদেহ রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে মরদেহ রয়েছে। ফরিদপুরের ডুবুরি ইউনিট এখনও দুর্ঘটনাস্থলে রয়েছে। শুধু ঢাকার ডুবুরি ইউনিট প্রত্যাহার করা হয়েছে।

মৃতরা হলেন, রাজবাড়ী পৌরসভার ভবানীপুর লাল মিয়া সড়কের মৃত ইসমাইল হোসেন খানের স্ত্রী রেহেনা আক্তার (৬১), কুষ্টিয়া পৌরসভার মজমপুরের আবু বক্কর সিদ্দিকের স্ত্রী মর্জিনা খাতুন (৫৬), কুষ্টিয়া সদর উপজেলার খাগবাড়ীয়া গ্রামের হিমাংশু বিশ্বাসের ছেলে রাজীব বিশ্বাস (২৮), রাজবাড়ী পৌরসভার সজ্জনকান্দার মৃত ডা. আব্দুল আলীমের মেয়ে জহুরা অন্তি (২৭), কাজী মুকুলের ছেলে কাজী সাইফ (৩০), গোয়ালন্দ উপজেলার চর বাকরিপাড়ার রেজাউল করিমের স্ত্রী মর্জিনা আক্তার (৩২), মেয়ে সাফিয়া আক্তার রিন্থি (১২), কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার ধুশুন্দু গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে ইস্রাফিল (৩), কালুখালী উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের বিল্লাল হোসেনের মেয়ে ফাইজ শাহানূর (১১), রাজবাড়ী পৌরসভার সজ্জনকান্দার কেবিএম মুসাব্বিরের ছেলে তাজবিদ (৭), গাড়ীর ড্রাইভার বালিয়াকান্দি উপজেলার নারুয়া ইউনিয়নের পশ্চিম গাড়াকোলা গ্রামের আরব খানের ছেলে আরমান খান (৩১), কালুখালীর বেলগাছির আব্দুল আজিজের স্ত্রী নাজমিরা ওরফে জেসমিন (৩০), রাজবাড়ী সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের সোবাহান মন্ডলের মেয়ে লিমা আক্তার (২৬), বড় চর বেনিনগর গ্রামের মান্নান মন্ডলের স্ত্রী জোস্ন্যা (৩৫), গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার নোয়াধা গ্রামের মৃত জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী মুক্তা খানম (৩৮), দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার মথুয়ারাই গ্রামের মৃত নুর ইসলামের স্ত্রী নাছিমা (৪০), ঢাকার আশুলিয়ার বাগধুনিয়া পালপাড়ার মো. নুরুজ্জামানের স্ত্রী আয়েশা আক্তার সুমা (৩০), রাজবাড়ী পৌরসভার সোহেল মোল্লার মেয়ে সোহা আক্তার (১১), কুষ্টিয়া জেলার খোকসা উপজেলার সমসপুর গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের মেয়ে আয়েশা সিদ্দিকা (১৩), ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলার খন্দকার বাড়িয়া গ্রামের নুরুজ্জামানের ছেলে আরমান (৭ মাস), কালুখালী উপজেলার মহেন্দ্রপুর গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে আব্দুর রহমান (৬), রাজবাড়ী সদর উপজেলার আগমাড়াই গ্রামের শরিফুল ইসলামের ছেলে সাবিত হাসান (৮), রাজবাড়ী পৌরসভার ভবানীপুর এলাকার ইসমাইল হোসেন খানের ছেলে আহনাফ তাহমিদ খান (২৫), রাজবাড়ী জেলার কালুখালি উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের ঝাউগ্রামের মজনু খানের ছেলেউজ্জ্বল খান (৩০), কালুখালি উপজেলার বেলগাছি গ্রামের আফসারের ছেলে আশরাফুল (৩৫), এবং রাজবাড়ীর কালুখালির বোয়ালিয়া গ্রামের সানাউল্লাহর ছেলে মো. জাহাঙ্গীরের (৫৫)।
রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানা বলেন, ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিটের ১৫ জন ডুবুরি উদ্ধার অভিযানে কাজ করছে। সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাথী দাস বলেন, “উদ্ধার হওয়া ২৬টি লাশের মধ্যে ২৩টি ইতোমধ্যে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অপর তিনটি লাশ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি।”

এদিকে, বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তারা বারবার হ্যান্ড মাইকে বলছেন, কারও স্বজন নিখোঁজ থাকলে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে।

স্থানীয়রা ফেরি ঘাটের মাছ ব্যবসায়ী শাহজাহান শেখ সম্রাট বলেন, সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস ফেরিতে উঠতে গেলে হঠাৎ করেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। কয়েকজন যাত্রী নদীর তীরে আসতে পারলেও অন্যান্যদের পাওয়া যায়নি। উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এসে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে। তবে ঝড় ও বৃষ্টির কারণে উদ্ধার কার্যক্রম ব্যাহত হয়।

বেঁচে যাওয়া যাত্রী আইন উদ্দিন বলেন, বাসে আমি, স্ত্রী, ছেলে ও মেয়ে বাসে ঢাকার সাভার যাচ্ছিলাম। সবাই বেঁচে গেলেও মেয়ে বাসের মধ্যে রয়েছে।

গোয়ালন্দ সরকারি কামরুল ইসলাম কলেজের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী অধ্যাপক আওয়াল আনোয়ার বলেন, আমার ছোট বোন আর নেই। লাশ গোয়ালন্দ হাসপাতালে। ভাগ্নে ও নাতি বাসের ভিতর নদীতে।

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাটে বুধবার বিকাল ৫টার দিকে ফেরিতে উঠতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যায়।

৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন

বাসডুবির ঘটনায় রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার কারণ অনুসন্ধানে ৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। কমিটিতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে আহবায়ক করা হয়েছে। সদস্যরা হলেন, অতিরিক্ত পুলিশ (ক্রাইম এন্ড অপস্), দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটের বিআইডব্লিউটিসির সহকারী মহাব্যবস্থাপক, রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ইউনিটের উপ-সহকারী পরিচালক ও গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার। কমিটিকে আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

ইউনি/শাহোরা/

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

News Admin

জনপ্রিয় নিউজ

দৌলতদিয়ায় বাসডুবির ঘটনায় শিশুসহ ২৬ মরদেহ উদ্ধার, অভিযান চলমান

Update Time : 06:10:42 pm, Thursday, 26 March 2026

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস পদ্মা নদীতে তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় এ পর্যন্ত শিশুসহ ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।  রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিস কর্মী ও মানিকগঞ্জের ডুবুরী দলসহ অন্যান্যরা বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ১১টা পর্যন্ত উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে এসব মরদেহ উদ্ধার করে।

উদ্দারকৃতদের মধ্যে ২৩ জনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি মরদেহ রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে মরদেহ রয়েছে। ফরিদপুরের ডুবুরি ইউনিট এখনও দুর্ঘটনাস্থলে রয়েছে। শুধু ঢাকার ডুবুরি ইউনিট প্রত্যাহার করা হয়েছে।

মৃতরা হলেন, রাজবাড়ী পৌরসভার ভবানীপুর লাল মিয়া সড়কের মৃত ইসমাইল হোসেন খানের স্ত্রী রেহেনা আক্তার (৬১), কুষ্টিয়া পৌরসভার মজমপুরের আবু বক্কর সিদ্দিকের স্ত্রী মর্জিনা খাতুন (৫৬), কুষ্টিয়া সদর উপজেলার খাগবাড়ীয়া গ্রামের হিমাংশু বিশ্বাসের ছেলে রাজীব বিশ্বাস (২৮), রাজবাড়ী পৌরসভার সজ্জনকান্দার মৃত ডা. আব্দুল আলীমের মেয়ে জহুরা অন্তি (২৭), কাজী মুকুলের ছেলে কাজী সাইফ (৩০), গোয়ালন্দ উপজেলার চর বাকরিপাড়ার রেজাউল করিমের স্ত্রী মর্জিনা আক্তার (৩২), মেয়ে সাফিয়া আক্তার রিন্থি (১২), কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার ধুশুন্দু গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে ইস্রাফিল (৩), কালুখালী উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের বিল্লাল হোসেনের মেয়ে ফাইজ শাহানূর (১১), রাজবাড়ী পৌরসভার সজ্জনকান্দার কেবিএম মুসাব্বিরের ছেলে তাজবিদ (৭), গাড়ীর ড্রাইভার বালিয়াকান্দি উপজেলার নারুয়া ইউনিয়নের পশ্চিম গাড়াকোলা গ্রামের আরব খানের ছেলে আরমান খান (৩১), কালুখালীর বেলগাছির আব্দুল আজিজের স্ত্রী নাজমিরা ওরফে জেসমিন (৩০), রাজবাড়ী সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের সোবাহান মন্ডলের মেয়ে লিমা আক্তার (২৬), বড় চর বেনিনগর গ্রামের মান্নান মন্ডলের স্ত্রী জোস্ন্যা (৩৫), গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার নোয়াধা গ্রামের মৃত জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী মুক্তা খানম (৩৮), দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার মথুয়ারাই গ্রামের মৃত নুর ইসলামের স্ত্রী নাছিমা (৪০), ঢাকার আশুলিয়ার বাগধুনিয়া পালপাড়ার মো. নুরুজ্জামানের স্ত্রী আয়েশা আক্তার সুমা (৩০), রাজবাড়ী পৌরসভার সোহেল মোল্লার মেয়ে সোহা আক্তার (১১), কুষ্টিয়া জেলার খোকসা উপজেলার সমসপুর গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের মেয়ে আয়েশা সিদ্দিকা (১৩), ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলার খন্দকার বাড়িয়া গ্রামের নুরুজ্জামানের ছেলে আরমান (৭ মাস), কালুখালী উপজেলার মহেন্দ্রপুর গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে আব্দুর রহমান (৬), রাজবাড়ী সদর উপজেলার আগমাড়াই গ্রামের শরিফুল ইসলামের ছেলে সাবিত হাসান (৮), রাজবাড়ী পৌরসভার ভবানীপুর এলাকার ইসমাইল হোসেন খানের ছেলে আহনাফ তাহমিদ খান (২৫), রাজবাড়ী জেলার কালুখালি উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের ঝাউগ্রামের মজনু খানের ছেলেউজ্জ্বল খান (৩০), কালুখালি উপজেলার বেলগাছি গ্রামের আফসারের ছেলে আশরাফুল (৩৫), এবং রাজবাড়ীর কালুখালির বোয়ালিয়া গ্রামের সানাউল্লাহর ছেলে মো. জাহাঙ্গীরের (৫৫)।
রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানা বলেন, ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিটের ১৫ জন ডুবুরি উদ্ধার অভিযানে কাজ করছে। সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাথী দাস বলেন, “উদ্ধার হওয়া ২৬টি লাশের মধ্যে ২৩টি ইতোমধ্যে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অপর তিনটি লাশ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি।”

এদিকে, বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তারা বারবার হ্যান্ড মাইকে বলছেন, কারও স্বজন নিখোঁজ থাকলে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে।

স্থানীয়রা ফেরি ঘাটের মাছ ব্যবসায়ী শাহজাহান শেখ সম্রাট বলেন, সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস ফেরিতে উঠতে গেলে হঠাৎ করেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। কয়েকজন যাত্রী নদীর তীরে আসতে পারলেও অন্যান্যদের পাওয়া যায়নি। উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এসে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে। তবে ঝড় ও বৃষ্টির কারণে উদ্ধার কার্যক্রম ব্যাহত হয়।

বেঁচে যাওয়া যাত্রী আইন উদ্দিন বলেন, বাসে আমি, স্ত্রী, ছেলে ও মেয়ে বাসে ঢাকার সাভার যাচ্ছিলাম। সবাই বেঁচে গেলেও মেয়ে বাসের মধ্যে রয়েছে।

গোয়ালন্দ সরকারি কামরুল ইসলাম কলেজের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী অধ্যাপক আওয়াল আনোয়ার বলেন, আমার ছোট বোন আর নেই। লাশ গোয়ালন্দ হাসপাতালে। ভাগ্নে ও নাতি বাসের ভিতর নদীতে।

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাটে বুধবার বিকাল ৫টার দিকে ফেরিতে উঠতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যায়।

৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন

বাসডুবির ঘটনায় রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার কারণ অনুসন্ধানে ৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। কমিটিতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে আহবায়ক করা হয়েছে। সদস্যরা হলেন, অতিরিক্ত পুলিশ (ক্রাইম এন্ড অপস্), দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটের বিআইডব্লিউটিসির সহকারী মহাব্যবস্থাপক, রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ইউনিটের উপ-সহকারী পরিচালক ও গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার। কমিটিকে আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

ইউনি/শাহোরা/