নরসিংদী প্রতিনিধি
দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করতে সরকার ইতোমধ্যে ৪২টি জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দি য়েছে। এখনও আরও ২২টি জেলায় প্রশাসক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এ অবস্থায় নরসিংদী জেলা পরিষদের প্রশাসক পদে কে আসছেন—তা নিয়ে জেলায় আলোচনা ও আগ্রহ বাড়ছে।
জেলার বিভিন্ন মহলের দাবি, নরসিংদী জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির নবনির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদক, নরসিংদী আন্তঃজেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি এবং বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. সারোয়ার হোসেন মৃধাকে দায়িত্ব দেওয়া হলে জেলার উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও সংগঠনকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন সারোয়ার হোসেন মৃধা। তার নেতৃত্বে নরসিংদী আন্তঃজেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি একটি সুসংগঠিত ও কার্যকর সংগঠনে পরিণত হয়েছে। পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় তার ভূমিকা তাকে জেলার সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।
সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পেলে সারোয়ার হোসেন মৃধা জেলার অবকাঠামো উন্নয়ন, বিশেষ করে গ্রামীণ সড়ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন। তার সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বগুণ জেলা পরিষদের কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আনতে পারে বলেও মনে করছেন তারা।
এছাড়া জেলা পরিষদের প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেও তার সততা ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে স্থানীয়দের ধারণা। তৃণমূলের মানুষের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ থাকায় সাধারণ মানুষের সমস্যা দ্রুত সমাধানেও তিনি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে মনে করা হচ্ছে।
নরসিংদীর সচেতন মহলের দাবি, জেলা পরিষদের প্রশাসক পদে কোনো বিতর্কিত ব্যক্তি নয়, বরং সারোয়ার হোসেন মৃধার মতো অভিজ্ঞ ও জনবান্ধব ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেওয়া হলে জেলার উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, বিভিন্ন সংকটময় সময়েও তিনি সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। বিশেষ করে ওয়ান-ইলেভেনের সময় দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের পাশে থেকে তাদের মনোবল ধরে রাখতে ভূমিকা রাখেন তিনি।
সারোয়ার হোসেন মৃধার অনুসারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, “তিনি শুধু একজন সফল ব্যবসায়ী বা সংগঠক নন, বরং একজন নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক। তাকে জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলে নরসিংদীর উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে।”
মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও তার অবস্থান দৃঢ় বলে উল্লেখ করেন স্থানীয়রা। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী এই নেতাকে জেলা পরিষদের দায়িত্ব দেওয়া হলে শিক্ষাসহ বিভিন্ন খাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং সাধারণ মানুষ হয়রানিমুক্ত সেবা পাবে বলেও তাদের আশা।
এদিকে নরসিংদীর সাধারণ মানুষ এখন সরকারের উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছেন—যোগ্য ও অভিজ্ঞ ব্যক্তির হাতেই যেন জেলা পরিষদের নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হয়।
ইউনি/শাহোরা/
Reporter Name 




















