• সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০১:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিবপুরে ৩ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে শীতলক্ষ্যায় বাল্কহেড চলাচল, গ্রেফতার ২ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ ঈদের ছুটিতেও যেসব এলাকায় ব্যাংক খোলা থাকবে টানা দুই সপ্তাহ ধরে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে পতন কান চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা ছবির পুরস্কার জিতল ‘ফিয়র্ড’ দোকানে ঢুকে ব্যবসায়িকে কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যা শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলি রামিসা হত্যা মামলা বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল জ্বালানি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী বাঁশের খুঁটি স্থাপন নিয়ে পাটগ্রাম সীমান্তে উত্তেজনা: বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক

শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলি রামিসা হত্যা মামলা

Reporter Name / ২৯ Time View
Update : রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬

শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলাটি বিচারের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলি করা হয়েছে। রবিবার (২৪ মে) বিকেলে মামলাটি বদলির আদেশ দেওয়া হয়।

এ মামলায় দেওয়া অভিযোগপত্র গ্রহণ করে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হক মামলাটি বদলির আদেশ দেন।

এর আগে এই মামলায় আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র আদালতে জমা দিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান। ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের ডিসি মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে বুধবার (২০ মে) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালত জবানবন্দি দেন আসামি সোহেল রানা।

একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে ঢাকার আরেক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল হকের আদালত তোলা হয়। শুনানি শেষে তাকেও কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ভুক্তভোগী শিশু রামিসা আক্তার পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে তার ফ্ল্যাটের ঘরের ভেতরে নিয়ে যায়।

ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকলে এক পর্যায়ে আসামির রুমের সামনে তার জুতা দেখতে পান।
ডাকাডাকির পর কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে রামিসার মা-বাবা ও অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসা আক্তারের মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা রুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে দেখতে পান।

আসামি স্বপ্না আক্তারকে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, তার স্বামী সোহেল রানা হীন কামনা চরিতার্থ করার জন্য রামিসাকে বাথরুমের ভেতরে আটকে রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে গলা কেটে হত্যা করেছেন। পরে শিশুটির মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করা হয়।

এ ছাড়া যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করা হয় এবং দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখা হয় এবং তার মাথাটি বালতির মধ্যে রাখা হয়।

পরে লোকজন জড়ো হলে রুমের জানালার গ্রিল কেটে সোহেল রানা পালিয়ে যায়। এরপর নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে থেকে অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category