Dhaka 1:47 am, Wednesday, 1 April 2026
শিরোনাম :
পরকীয়ার জেরে স্বামীকে হত্যা; সন্তানদের নিয়ে মরদেহের পাশে রাতযাপন প্রধানমন্ত্রীর ‘ক্রীড়া কার্ড’ পেয়ে আবেগাপ্লুত খেলোয়াড়রা সিঙ্গাপুরের কাছে হেরে বাংলাদেশের স্বপ্নভঙ্গ স্কুল চলাকালীন যানজট নিরসনে শিক্ষামন্ত্রীকে বিকল্প খুঁজতে বললেন প্রধানমন্ত্রী শ্রবণশক্তি হারিয়ে গান থেকে অনেকটা দূরে সরে এলের অলকা নরসিংদী জেলা বিএনপির সহ সভাপতি তোফাজ্জল হোসেনকে জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগ বাড়ছে না জ্বালানি তেলের দাম আজ জানা যাবে জ্বালানী তেলের নতুন দাম বর্জ্যমুক্ত ঢাকা গড়তে নাগরিক ও সিটি কর্পোরেশনের যৌথ অংশীদারিত্বের বিকল্প নেই: ডিএসসিসি প্রশাসক পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রীর সাথে এডিবি কান্ট্রি ডিরেক্টর এর সাক্ষাৎ

গ্রিক উপকূলে ২২ অভিবাসীর মৃত্যূ, নিহতদের ১৮ জনই বাংলাদেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইউরোপের পৌছার আশায় নৌকায় করে লিবিয়া য়াওয়ার পথে গ্রিসের উপকূলে অভিবাস নপ্রত্যাশীদের বহনকারী একটি রাবারের নৌকায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় অন্তত ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। ছয় দিন ধরে সাগরে ভেসে থাকার পর এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, ইউরোপীয় সীমান্ত সংস্থা ফ্রন্টেক্সের একটি জাহাজ গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের উপকূল থেকে ২৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করে। তথ্যের উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে গ্রিক কোস্টগার্ডের বরাত দিয়ে।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, যাত্রাপথে যারা মারা গিয়েছিলেন, তাদের মরদেহ সাগরে ফেলে দেওয়া হয়।

কোস্টগার্ড আরও জানায়, আহতদের মধ্যে দুজনকে ক্রিটের হেরাক্লিওন শহরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বেঁচে ফেরা ব্যক্তিদের তথ্য অনুযায়ী, নৌকাটি গত ২১ মার্চ লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় বন্দরনগরী তবরুক থেকে গ্রিসের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। ইউরোপীয় ইউনিয়নে আশ্রয়ের আশায় বহু অভিবাসনপ্রত্যাশীর জন্য গ্রিস একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার।

গ্রিক কোস্টগার্ড জানায়, যাত্রাপথে দিকভ্রান্ত হয়ে পড়ায় যাত্রীরা ছয় দিন ধরে খাদ্য ও পানি ছাড়া সাগরে অবস্থান করছিলেন।

এছাড়া মৃতদের মরদেহ সাগরে ফেলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল এক পাচারকারী, এমন অভিযোগও এসেছে।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ১৯ ও ২২ বছর বয়সী দক্ষিণ সুদানের দুই নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে গ্রিক কর্তৃপক্ষ। তারা মানবপাচারকারী বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও এশিয়ার সংঘাত ও দারিদ্র্য থেকে পালিয়ে আসা মানুষের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নে প্রবেশের অন্যতম প্রধান পথ গ্রিস। ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে তুরস্কের উপকূল থেকে ছোট নৌকায় করে গ্রিসের বিভিন্ন দ্বীপে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন বহু অভিবাসনপ্রত্যাশী।

ইউনি/শাহোরা/

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

News Admin

জনপ্রিয় নিউজ

পরকীয়ার জেরে স্বামীকে হত্যা; সন্তানদের নিয়ে মরদেহের পাশে রাতযাপন

গ্রিক উপকূলে ২২ অভিবাসীর মৃত্যূ, নিহতদের ১৮ জনই বাংলাদেশি

Update Time : 07:15:23 pm, Sunday, 29 March 2026

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইউরোপের পৌছার আশায় নৌকায় করে লিবিয়া য়াওয়ার পথে গ্রিসের উপকূলে অভিবাস নপ্রত্যাশীদের বহনকারী একটি রাবারের নৌকায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় অন্তত ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। ছয় দিন ধরে সাগরে ভেসে থাকার পর এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, ইউরোপীয় সীমান্ত সংস্থা ফ্রন্টেক্সের একটি জাহাজ গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের উপকূল থেকে ২৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করে। তথ্যের উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে গ্রিক কোস্টগার্ডের বরাত দিয়ে।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, যাত্রাপথে যারা মারা গিয়েছিলেন, তাদের মরদেহ সাগরে ফেলে দেওয়া হয়।

কোস্টগার্ড আরও জানায়, আহতদের মধ্যে দুজনকে ক্রিটের হেরাক্লিওন শহরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বেঁচে ফেরা ব্যক্তিদের তথ্য অনুযায়ী, নৌকাটি গত ২১ মার্চ লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় বন্দরনগরী তবরুক থেকে গ্রিসের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। ইউরোপীয় ইউনিয়নে আশ্রয়ের আশায় বহু অভিবাসনপ্রত্যাশীর জন্য গ্রিস একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার।

গ্রিক কোস্টগার্ড জানায়, যাত্রাপথে দিকভ্রান্ত হয়ে পড়ায় যাত্রীরা ছয় দিন ধরে খাদ্য ও পানি ছাড়া সাগরে অবস্থান করছিলেন।

এছাড়া মৃতদের মরদেহ সাগরে ফেলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল এক পাচারকারী, এমন অভিযোগও এসেছে।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ১৯ ও ২২ বছর বয়সী দক্ষিণ সুদানের দুই নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে গ্রিক কর্তৃপক্ষ। তারা মানবপাচারকারী বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও এশিয়ার সংঘাত ও দারিদ্র্য থেকে পালিয়ে আসা মানুষের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নে প্রবেশের অন্যতম প্রধান পথ গ্রিস। ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে তুরস্কের উপকূল থেকে ছোট নৌকায় করে গ্রিসের বিভিন্ন দ্বীপে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন বহু অভিবাসনপ্রত্যাশী।

ইউনি/শাহোরা/