• রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তিন আয়োজক দেশের টানাপোড়েন সঙ্গে নিয়েই ২০২৬ বিশ্বকাপ জানাল সুপারকম্পিউটার ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচে কার জয়ের সম্ভাবনা কতটা টেন্ডার বাণিজ্যে জড়িত দুজনকে পুলিশে দিলেন ডিএনসিসি প্রশাসক ২৪ ঘন্টায় হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে আমার পেছনে ঘুরেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিএনপি নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ৪ জুলাই ও দাফন ৯ জুলাই নাঈমকে মারধর: নেপথ্যে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান: স্পিকারের অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশের লক্ষ্যেই খেলবে বাংলাদেশ

তানোর-মোহনপুর সংযোগ সড়কের বেহাল দশা, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ

Reporter Name / ৫৩ Time View
Update : বুধবার, ২০ মে, ২০২৬
filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; hdrForward: 0; module: video;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: null;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: off;albedo: ;confidence: ;motionLevel: -1;weatherinfo: null;temperature: 42;

 

সৈয়দ মাহামুদ শাওন : রাজশাহীর তানোর ও মোহনপুর উপজেলার সংযোগ স্থাপনকারী গুরুত্বপূর্ণ সেতুর দুই পাশের সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। ফলে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ নিয়ে চলাচল করছেন দুই উপজেলার হাজারো মানুষ। স্থানীয়দের অভিযোগ, বারবার সংস্কার করা হলেও স্থায়ী কোনো সমাধান হচ্ছে না।
বিলকুমারীর বুক চিরে শিব নদীর ওপর নির্মিত এই সেতুটি একসময় ছিল এলাকাবাসীর স্বস্তির পথ এবং দর্শনার্থীদের অন্যতম আকর্ষণ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এখানে ঘুরতে আসতেন। কিন্তু বর্তমানে সেতুর সংযোগ সড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোট বড় গর্ত, উঠে যাওয়া ইট, ধসে পড়া অংশ এবং পানি জমে থাকার কারণে চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
স্থানীয়রা জানান, সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের বিভিন্ন অংশ কাদায় পরিণত হয়। বিশেষ করে অটোভ্যান, ভ্যান ও মোটরসাইকেল চালকদের সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে গিয়ে প্রায়ই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।
স্থানীয় অটোচালক আফজাল বলেন, এই রাস্তায় গাড়ি চালাতে গেলে প্রায়ই গাড়ি নষ্ট হয়। যাত্রীরাও ভয় পায় চলাচল করতে।
মোটরসাইকেল চালক সোহানুর ইসলাম বলেন, রাতে চলাচল খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। একটু অসাবধান হলেই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
শুধু সড়ক নয়, সেতুর বিভিন্ন অংশেও দেখা দিয়েছে ক্ষয় ও ভাঙনের চিহ্ন। কোথাও কোথাও উঠে গেছে ঢালাই। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বাড়ছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
একসময় এই সেতুকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ছোট ছোট টং দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও এখন ভাটা পড়েছে। দর্শনার্থী কমে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা পড়েছেন লোকসানের মুখে।
স্থানীয় চা দোকানী সোহেল রানা বলেন, আগে সেতুতে প্রতিদিন অনেক মানুষ আসতো। এখন রাস্তার কারণে মানুষ কমে গেছে। ব্যবসাও আগের মতো নেই।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্ষা মৌসুমে পানির চাপে প্রতিবছরই রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে নামমাত্র সংস্কার করা হলেও তা বেশিদিন টেকে না। টেকসই পরিকল্পনার অভাবে প্রতি বছরই একই দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে এলাকাবাসীকে।
এ বিষয়ে রাজশাহী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, রাস্তার নিচের মাটি দুর্বল হওয়ায় ভারী গাড়ি চলাচলের চাপে তা সরে যাচ্ছে। এ সমস্যার দ্রুত ও স্থায়ী সমাধানের জন্য ঢাকায় প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।
দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কটি টেকসইভাবে পুনর্নির্মাণ ও সেতুর ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামতের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category